তিন দশক আগে অজানা কারণে পরিত্যক্ত হয় হরিপুর তেল ক্ষেত্র

মজুদের ৯৫ শতাংশ তেল উত্তোলনে কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি পেট্রোবাংলা

দেশের প্রথম তেল ক্ষেত্রটি আবিষ্কার হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। পরের বছরই এ ক্ষেত্র থেকে বাণিজ্যিকভাবে তেল উত্তোলন শুরু করে পেট্রোবাংলা।

টানা সাত বছর তেল ক্ষেত্রটি থেকে ৫ লাখ ৪২ হাজার ব্যারেলের মতো তেল (ক্রুড অয়েল) উত্তোলন করা হয়। একপর্যায়ে উৎপাদন কমতে কমতে ১৯৯৪ সালে উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। তেল ক্ষেত্রটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক না হওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ঠিক কী কারণে হরিপুরে (সিলেট-৭) তেল উত্তোলন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তা এখনো অজানা বলে মনে করেন ভূতত্ত্ববিদ এবং পেট্রোবাংলা ও জ্বালানি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় কাজ করা অনেক সাবেক কর্মকর্তা।

হরিপুর তেল ক্ষেত্রে উত্তোলন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে কারিগরি সমস্যা, ওয়েলহেড প্রেসার কমে যাওয়া এবং অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন ভূতত্ত্ববিদরা। আর পেট্রোবাংলার কর্মকর্তাদের দাবি, কূপে পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় বাণিজ্যিক উৎপাদন লাভজনক থাকেনি। অন্যদিকে তিন দশক পেরিয়ে গেলেও হরিপুরে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুরনো ও পরিত্যক্ত কূপ থেকে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের মজুদ আবিষ্কার ও উত্তোলন করা হচ্ছে। জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, যদিও অজানা কারণে হরিপুরে তেল উত্তোলনের ক্ষেত্রে কোনো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি।

জ্বালানি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিইআরসি, পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন মকবুল ই ইলাহী চৌধুরী। কর্মজীবনে তিনি পেট্রোবাংলার ভূতত্ত্ব বিভাগ, বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিইআরসি সদস্য (গ্যাস) হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। হরিপুর তেল ক্ষেত্র আবিষ্কারের সময় মকবুল ই ইলাহী চৌধুরী পেট্রোবাংলার ভূতত্ত্ব বিভাগে কাজ করেছেন। তখন তিনি ক্ষেত্রটি থেকে তেল উত্তোলনের বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করেছেন।

হরিপুর ক্ষেত্র থেকে কেন তেল উত্তোলন বন্ধ হয়েছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হরিপুর তেল ক্ষেত্রটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে তেল ফুরিয়ে যাওয়া, পাইপলাইনে মোমজাতীয় রাসায়নিক পদার্থ জমা হওয়া ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ের কথা বলা হয়। তবে কোনো কূপ পরিত্যক্ত ঘোষণার আগে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, এমনকি কী কারণে সেটি বন্ধ করা হচ্ছে সে বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকে। আমার জানা মতে হরিপুর তেল ক্ষেত্রের বিষয়ে এ রকম কোনো প্রতিবেদন দেয়া হয়নি।’

উত্তোলন বন্ধ হওয়ার পর তিন দশক পেরিয়ে গেলেও হরিপুরের তেল নিয়ে কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি পেট্রোবাংলা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে তেল-গ্যাস আমদানিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আবারো সামনে এসেছে স্থানীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়টি। তাই হরিপুরের মতো পরিত্যক্ত তেল ক্ষেত্রটি নিয়ে জোরালো উদ্যোগ ও অনুসন্ধানে জোর দিচ্ছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

সিলেটের হরিপুর স্ট্রাকচারে সিলেট-১০ কূপ খনন করে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তেল পাওয়ার কথা জানায় পেট্রোবাংলা। ওই সময় জানানো হয় সিলেট গ্যাস ক্ষেত্রের নতুন কূপে ১ হাজার ৩৯৭ থেকে ১ হাজার ৪৪৫ মিটার গভীরতায় তেলের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে দৈনিক ৩৫ ব্যারেল করে তেলের প্রবাহের কথাও জানিয়েছিলেন তৎকালীন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী। হরিপুরের পর এটিই বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বীকৃত তেল ক্ষেত্র।

এ আবিষ্কারের প্রায় আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সিলেট-১০ কূপ থেকে তেল উত্তোলনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি পেট্রোবাংলা। যদিও পেট্রোবাংলা বলছে, সিলেট-১০ কূপ থেকে তেল উত্তোলনের জন্য কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। জমিসংক্রান্ত জটিলতা শেষ হলেই পাইপলাইনের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

হরিপুর তেল ক্ষেত্রে উত্তোলন অব্যাহত রাখার জন্য বৈশ্বিক যেসব পদ্ধতি গ্রহণ করা দরকার ছিল সেগুলো নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন ভূতত্ত্ববিদ। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণত কোনো তেল ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলে তা থেকে সচরাচর আপনাআপনি তেল বেরিয়ে আসতে থাকে। মাটির নিচে তেল চাপে থাকে এবং এ চাপই সেটিকে ওপরে উঠিয়ে আনতে পারে। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে উত্তোলনের পর সেই চাপ কমে যায়, ফলে উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় তেল উত্তোলনের জন্য আর্টিফিশিয়াল লিফটিং বা কূপের ভেতর কৃত্রিম উত্তোলন যন্ত্র (যেমন পাম্প) প্রতিস্থাপন করা হয়। যা তেল উত্তোলন করার একটি প্রচলিত প্রথা। কারিগরিভাবে স্বল্প খরচ ও সহজ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই এটি করা যায়। রড পাম্প ব্যবহারের ফলে পুনরায় বেশি হারে তেল উৎপাদন করা যায়। সাধারণত তেল ক্ষেত্রের ভেতরে এ রকম একাধিক কূপ খনন ও উৎপাদন করা হয়ে থাকে।

তেল উৎপাদনের প্রাথমিক পর্ব শেষ হলে সেকেন্ডারি রিকভারি বা মাধ্যমিক পর্যায়ের উৎপাদন শুরু হয়। সেকেন্ডারি রিকভারির জন্য তেল ক্ষেত্রের বাইরে পার্শ্ববর্তী স্থানে নতুন কূপ খনন করে তার ভেতর দিয়ে মাটির নিচে পানি প্রবেশ করানো হয়। এসব কূপকে ইনজেকশন কূপ বলা হয়। এভাবে পানি প্রবেশ করালে তা তেলের স্তরের দিকে গিয়ে সেখানে চাপ বৃদ্ধি করে, ফলে আবার তেল উৎপাদন শুরু করা যায়। এ পদ্ধতিতে দীর্ঘ সময় ধরে তেল উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার উদাহরণ সব তেল উত্তোলনকারী দেশেই দেখা যায়। ভূতত্ত্ববিদরা মনে করেন অপরিপক্ব ও অসম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনায় উত্তোলনের কারণে হরিপুর তেল ক্ষেত্রটি উন্নয়নে ব্যর্থতা ছিল। যে কারণে পরবর্তী সময়ে আর সেখান থেকে তেল উত্তোলন করা যায়নি।

বিভিন্ন গবেষণা ও পেট্রোবাংলার তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা গেছে, হরিপুরের তেল ক্ষেত্রে প্রাথমিক জরিপ অনুযায়ী মোট এক কোটি ব্যারেল (১০ মিলিয়ন) তেলের সম্ভাব্য মজুদ পাওয়া যায়। কিন্তু সেখান থেকে সাত বছরে মাত্র পাঁচ লাখ ব্যারেল ক্রুড অয়েল উত্তোলন করা হয়। সে হিসেবে এখনো অন্তত ৯৫ শতাংশ তেল সেখানে জমা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) তথ্য অনুযায়ী, সে সময় হরিপুর তেল ক্ষেত্র থেকে দৈনিক ৩০০-৪০০ ব্যারেল পর্যন্ত ক্রুড অয়েল উত্তোলন করা হয়েছে। যদিও পরবর্তী সময়ে তা ১০০ ব্যারেলে নেমে আসায় একপর্যায়ে কূপটি থেকে তেলের উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়।

হরিপুর তেল ক্ষেত্র নিয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বণিক বার্তাকে বলেন, ‘হরিপুরে তেল ক্ষেত্র থেকে একটা সময় তেল উত্তোলন করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ওই তেল ক্ষেত্রের কূপে পানি চলে আসায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সেখানে উত্তোলন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আরো বেশি কূপ খনন করার সুযোগ ছিল, তাহলে হয়তো আরো কোনো ফলাফল মিলত।’

এ বিশেষজ্ঞ মনে করেন, প্রতিটি অনুসন্ধানে দুটি দিক থাকে—প্রথমত, কূপ খনন করলে সফলতা পাওয়া যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, কিছু না পাওয়া গেলে নিশ্চিত হওয়া যায় যে এখানে কিছু নেই। ফলে প্রতিটি খননে কোনো না কোনো রেজাল্ট মিলবেই। হরিপুরে তেলের উপস্থিতির ধারাবাহিকতা ছিল না, এমনটা বলা যাবে না, সেখানকার অন্য একটি লেয়ারে তেলের সন্ধান মিলেছে। এসব ক্ষেত্রে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে কাজ এগিয়ে নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘হরিপুর থেকে গ্যাস ও কনডেনসেট পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের দেশে এক্সপ্লোরেশনের একটা দিক হলো যদি কোনো একটা কূপে পাঁচটা লেয়ারে খনন করা হয়, আর সেখানকার একটা লেয়ারে কমার্শিয়ালি গ্যাস উত্তোলন করার সম্ভাবনা দেখা দেয়, তাহলে বাকি চারটি লেয়ারের সম্ভাবনাগুলো নিয়ে আর কাজ করা হয় না। তবে এখন যেহেতু গ্যাস নেই, আমদানি করা হচ্ছে, ফলে যেসব সম্ভাবনাময় লেয়ার চিহ্নিত করা হয়েছে, এখন সেখানে খনন করা হচ্ছে, আর গ্যাসও মিলছে। হরিপুর তেল ক্ষেত্রের যেসব লেয়ারে অনুসন্ধান করার সুযোগ ছিল, ড্রিলিং করা প্রয়োজন ছিল, সেটা হয়নি। গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সুদূরপ্রসারী চিন্তা দরকার। সবসময় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থাকলে আর অর্থনৈতিক লাভ-লোকসানের হিসাব করলে অনুসন্ধানে জোর দেয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না।’

হরিপুর তেল ক্ষেত্রটি মূলত এসজিএফএলের আওতাধীন। এটি বর্তমানে সিলেট গ্যাস ক্ষেত্র নামে পরিচিত। বর্তমানে এ ফিল্ডের চারটি কূপ থেকে মোট দৈনিক আট মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। তবে সেখানে এখন নতুন নতুন কূপ খনন করে আরো গ্যাস ও তেলের উপস্থিতির অনুসন্ধানে কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে এসজিএফএল কর্তৃপক্ষ।

হরিপুরের তেল ক্ষেত্রটি নিয়ে জানতে চাইলে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘হরিপুর ফিল্ড থেকে এখন মূলত গ্যাস উত্তোলনই করা হচ্ছে। তেল উত্তোলন করা হয়েছিল ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত। মূলত ১৯৮৬ সালে প্রথম হরিপুরে গ্যাস উত্তোলনের জন্য কূপ খনন করে তেলের সন্ধান মেলে। এরপর কয়েক দফায় কূপের ওয়ার্কওভার করলে সেখানে আর তেলের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে হরিপুর স্ট্রাকচারে সিলেট-১২ নামে একটি কূপ খনন করার উদ্যোগ নিয়েছে এসজিএফএল। এ কূপ খনন করে তেলের উপস্থিতি পাওয়া গেলে তার ওপর ভিত্তি করে হরিপুর তেল ক্ষেত্র বা সিলেট-৭ কূপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

হরিপুর পরিত্যক্ত তেল ক্ষেত্রটি দীর্ঘদিন ফেলে রাখা এবং এ কূপ খননের বিষয়ে জোরালো কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেননি পেট্রোবাংলার সাবেক ও বর্তমান বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। তাদের ভাষ্য, তেল কূপ খনন, ওয়ার্কওভারে গ্যাসের কূপের চেয়ে ভিন্নতা রয়েছে। তবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর জোরালো সার্ভে করা গেলে হয়তো আরো অনেক সময় ধরে তেল উত্তোলন ও বড় মজুদের তথ্য মিলত।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) প্রকৌশলী মো. শোয়েব বণিক বার্তাকে বলেন, ‘হরিপুরের তেল ক্ষেত্রে দুবার কূপ খনন করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই সেখানে গ্যাস পাওয়া গেছে। সেখান থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। ওখানে তেল ওই অর্থে পাওয়া যায়নি।’

বর্তমানে পেট্রোবাংলা ৫০ কূপ খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ২০২৮ সালের মধ্যে আরো ১০০ কূপ খনন (নতুন কূপ, ওয়ার্কওভার ও উন্নয়ন কূপ) উদ্যোগ নিয়েছে। তবে গ্যাস কূপের মধ্যে হরিপুরের পরিত্যক্ত তেল কূপের বিষয়টি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেই। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রে জোরালো অনুসন্ধান চালানোর বিষয়টি আবারো সামনে এসেছে। সেক্ষেত্রে জ্বালানি বিভাগ তথা পেট্রোবাংলা হরিপুরের তেল ক্ষেত্রটি নতুন করে উন্নয়ন করবে কিনা সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু জানা যায়নি।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক বণিক বার্তাকে বলেন, ‘হরিপুর তেল ক্ষেত্র থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ হওয়ার পর সেখান থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। যদি কখনো গ্যাসের উপস্থিতি কমে যায়, তাহলে নতুন সার্ভেতে হয়তো সেখানে তেল-গ্যাসের বিষয়ে পুনরায় অনুসন্ধান করা যেতে পারে।’

আরও